নরওয়ের বসন্ত আসতে দেরি হয়, তাই আজ রাতেও সাননেস স্টেডিয়ামে কোট গায়ে চড়াতে হবে। সান্ডনেসের অবস্থান ১২ নম্বরে, আর এগারসুন্ডের অবস্থান ৫ নম্বরে; পয়েন্টের ব্যবধান খুব বেশি নয়, কিন্তু ফর্মে দু’দলের ফারাক বেশ স্পষ্ট।
স্বাগতিক দল শেষ ছয় ম্যাচে জিতেছে মাত্র একটি, করেছে ৫ গোল, হজম করেছে ৯ গোল; আক্রমণভাগের দিক থেকে তারা নরওয়ের প্রথম বিভাগে তলানির দিকেই। ঘরের মাঠে তিন ম্যাচ খেলেও এখনো জয়ের দেখা পায়নি, করেছে মাত্র ২ গোল। অন্যদিকে, এগারসুন্ড শেষ ছয় ম্যাচে ৪ জয় ও ২ হার নিয়ে ১০ গোল করেছে, হজম করেছে ৪ গোল; আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই তারা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি স্থিতিশীল। অ্যাওয়ে দুই ম্যাচে তাদের এক জয় ও এক হার, বিশেষ কিছু চোখে না পড়লেও কাজ চালানোর মতোই।
ইউরোপের প্রধান বেটিং সংস্থাগুলোর প্রাথমিক লাইনে অতিথি দলের দিকে হ্যান্ডিক্যাপ ছিল, এবং ওডসও অতিথি দলের দিকেই ঝুঁকে আছে। স্বাগতিক দলের সমস্যা শুধু ফর্ম নয়; ঘরের মাঠে এখনো জিততে না পারার মানসিক চাপ সম্ভবত কৌশলগত সমস্যার চেয়েও বেশি ভারী হয়ে দাঁড়িয়েছে।