পানির হার ও লাইন বিবেচনায়, একাধিক প্রতিষ্ঠান统一ভাবে ২.৫/৩ গোলের লাইন খুলেছে, আর ওভারের পানির হার ০.৭৪ থেকে ০.৮৯-এর নিচু পরিসরে কেন্দ্রীভূত, যা স্পষ্ট সতর্কতামূলক ইঙ্গিত দিচ্ছে। কিছু প্রতিষ্ঠানে ওভারের পানির হার প্রাথমিক ০.৮২ থেকে ০.৭৪-এ নামানো হয়েছে, অন্যরা ২.৫ গোলের লাইন ধরে রেখে ওভারের পানির হার ০.৬২ থেকে ০.৬৫-এর অতিনিম্ন অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে। এমন পাতলা লাইন ও অতিনিম্ন পানির হারের অপারেশনটি লাইন নামিয়ে ক্ষতি নিয়ন্ত্রণের আদর্শ কৌশল, যা বোঝায় যে প্রতিষ্ঠানগুলো পুরো ম্যাচে অন্তত ৩ গোল হওয়ার ব্যাপারে খুবই সতর্ক মনোভাব নিচ্ছে。
মৌলিক দিক থেকে দেখলে, স্বাগতিক দলের শেষ ১০ ম্যাচে ওভার হওয়ার হার ৬০ শতাংশ, আর শেষ ৬ ম্যাচের ৪টিতে মোট গোল ৩ বা তার বেশি হয়েছে, তাদের খেলার ধরন বেশ উন্মুক্ত। অতিথি দলের শেষ ১০ ম্যাচে ওভার হওয়ার হার ৫০ শতাংশ, ১১ রাউন্ডের লিগে তারা ২০ গোল করেছে, আক্রমণভাগ লিগের সেরাদের মধ্যে অন্যতম; তবে অ্যাওয়ে ম্যাচে গড়ে হজম করা গোলও ১.৬টি, ফলে রক্ষণভাগ খুব একটা স্থিতিশীল নয়। দুই দলের এ মৌসুমের প্রথম মুখোমুখির কোনো রেকর্ড নেই, তবে উভয় দলই আক্রমণে শক্তিশালী, রক্ষণে দুর্বল—এমন典型 প্রতিনিধি। স্বাগতিক দল ঘরের মাঠে ড্র বেশি করলেও প্রতি ম্যাচেই গোল পাচ্ছে, আর অতিথি দলও অ্যাওয়ে ম্যাচে ধারাবাহিকভাবে গোল করার সক্ষমতা রাখে। নিম্ন পানির হার এবং দুই দলের উন্মুক্ত আক্রমণ-প্রতিরক্ষার বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে ওভার দিকটাই অনুসরণ করার মতো।