ট্যাকটিক্যাল দিক থেকে দেখলে, এখানে ইকুয়েডরেরই বাড়তি সুবিধা আছে, যদিও অপ্রত্যাশিত ড্র একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ইকুয়েডরের দলটি শক্তিশালী রক্ষণাত্মক সংগঠনের জন্য সুনাম গড়ে তুলেছে, আর সেটাই তাদের দীর্ঘ অপরাজিত ধারার মূল ভিত্তি—প্রতিপক্ষের সুযোগ সীমিত করা এবং ফল বের করে আনা। তারা আসন্ন বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও নিচ্ছে, তাই গতি তৈরি করতে এবং নিজেদের সিস্টেম পরীক্ষা করতে জয়ের জন্য তারা খুবই অনুপ্রাণিত থাকবে। অন্যদিকে, গুয়াতেমালা শীর্ষ ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ভুগেছে; সম্প্রতি তারা চেক প্রজাতন্ত্রের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছে। তা সত্ত্বেও, ইকুয়েডরের আক্রমণভাগ ধারাবাহিক নয়, আর তারা দলে রদবদলও করতে পারে, ফলে গুয়াতেমালা সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারে। তাই ঘরের মাঠের পক্ষে বেছে নেওয়াটা শক্তিশালী, তবে নিশ্চিত নয়, এমন এক বাজি।