বেটিং লাইনের তীব্র পরিবর্তন। প্রধান কোম্পানিগুলোর প্রাথমিক লাইনিংয়ে পার্থক্য ছিল বেশ বড়; কিছু প্রতিষ্ঠান ড্র বা অতিথি দলের অর্ধগোল সুবিধা পর্যন্ত দিয়েছিল, কিন্তু লাইভ লাইন দ্রুতই অতিথি দলকে এক গোল থেকে এক গোল ও অর্ধেক সুবিধায় উন্নীত করা হয়। তাছাড়া অতিথি দলের পানির হার 0.78-0.88-এর নিম্ন-মধ্যম স্তরেই স্থিত ছিল। যুব দলের ম্যাচে এমন বড় অঙ্কের লাইন বৃদ্ধি খুবই বিরল; এটি পর্তুগাল U20-এর জয়ের প্রতি বুকিদের আস্থা ক্রমেই বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। প্রাথমিক ড্র থেকে অতিথি দলকে এক গোল ও অর্ধেক সুবিধা পর্যন্ত যাওয়া মানে চার ধাপের ব্যবধান।
দ্বিতীয়ত, দুই দলের শক্তির ব্যবধানও স্পষ্ট। পর্তুগাল U20 সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ ফর্মে আছে—গত ১০ ম্যাচে ৭ জয় ও ৩ ড্র নিয়ে অপরাজিত, করেছে ১৮ গোল এবং হজম করেছে মাত্র ৭ গোল। আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই তারা আধিপত্য দেখিয়েছে। ইউরোপের U20 মঞ্চে জার্মানি, ইতালি, চেক প্রজাতন্ত্রের মতো শক্তিশালী দলকে টানা হারিয়েছে দলটি, কঠিন ম্যাচ সামলানোর সক্ষমতাও চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে জাপান U19 প্রথম রাউন্ডে কোট দিভোয়ার U23-এর সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করলেও, তাদের রক্ষণভাগে বড় ফাঁকফোকর ধরা পড়েছে। আরও শক্তিশালী আক্রমণভাগের পর্তুগাল U20-এর বিপক্ষে তাদের টিকে থাকা কঠিনই মনে হচ্ছে।
সবকিছু মিলিয়ে, পর্তুগাল U20 এখন দারুণ ফর্মে, শক্তিতেও এগিয়ে, আর গভীর লাইন ও কম পানির হার তাদের পক্ষেই যাচ্ছে; অন্যদিকে জাপান U19-এর রক্ষণও অস্থির। এই ম্যাচে পর্তুগাল U20-এর উজ্জ্বল পারফরম্যান্সই বেশি সম্ভাব্য।