জাপান U19 প্রথম রাউন্ডে আইভরি কোস্ট U23-এর সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করেছে, এক ম্যাচেই এসেছে ৬টি গোল, খেলা ছিল বেশ উন্মুক্ত, আর রক্ষণভাগের সমস্যা স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। পর্তুগাল U20 যদিও প্রথম রাউন্ডে বিশ্রামে ছিল, তবে দলের সাম্প্রতিক আক্রমণভাগের ফর্ম অত্যন্ত উজ্জ্বল। গত ১০ ম্যাচে তারা ১৮ গোল করেছে, গড়ে ম্যাচপ্রতি ১.৮ গোল, এবং ওই ১০ ম্যাচের ৬টিতে বড় স্কোর এসেছে, ফলে বড় স্কোরের হার দাঁড়িয়েছে ৬০%।
আরেকটি দিক হলো দুই দলের সাম্প্রতিক বড় স্কোরের প্রবণতা। জাপান U19-এর গত ১০ ম্যাচেও বড় স্কোরের হার ৫৭.১%-এ পৌঁছেছে, এবং তারা একাধিকবার ৩ গোলের বেশি হওয়া ম্যাচ খেলেছে। পর্তুগাল U20-এর ক্ষেত্রে গত ১০ ম্যাচের ৮টিতেই বড় স্কোর এসেছে, বড় স্কোরের হার ৮০%—ম্যাচগুলোর গতি সাধারণত উন্মুক্ত। রক্ষণে দুর্বল এমন দুই দল মুখোমুখি হলে গোল কম হবে না।
এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপের দিক থেকে, প্রধান কোম্পানিগুলোর প্রাথমিক লাইন ছিল ২.৫/৩ গোল, আর বর্তমান লাইনের বেশিরভাগই বেড়ে ৩ গোলে উঠেছে। বড় স্কোরের পানির দাম ০.৮৮-০.৯৬-এর নিম্ন-মধ্যম পর্যায়ে স্থির রয়েছে, যা বড় স্কোর হওয়ার বিষয়ে বুকমেকারদের আস্থা ক্রমেই বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। লাইন বাড়লেও পানির দাম খুব বেশি বাড়েনি, তাই বাস্তবে বড় স্কোরকে সমর্থন করার ইচ্ছা স্পষ্ট।
সব মিলিয়ে, জাপান U19-এর রক্ষণভাগ স্থিতিশীল নয়, পর্তুগাল U20-এর আক্রমণভাগ শক্তিশালী, দুই দলেরই সাম্প্রতিক বড় স্কোরের হার ৫০%-এর ওপরে, আর হ্যান্ডিক্যাপ লাইনও বড় স্কোরের পক্ষে যাচ্ছে।