এই ম্যাচের মূল ভ্যারিয়েবল হলো হোম-অ্যাওয়ে পারফরম্যান্স—শার্লট এফসি ঘরের মাঠে ৮ ম্যাচে ৪ জয়, ২ ড্র ও ২ হার করেছে, হোম জয়ের হার ৫০ শতাংশ, তাই নিজেদের মাঠে তাদের লড়াকু শক্তিকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই; অন্যদিকে নিউ ইংল্যান্ড রেভল্যুশনের অ্যাওয়ে রেকর্ড ৫ ম্যাচে ১ জয়, ১ ড্র ও ৩ হার, অ্যাওয়ে জয়ের হার মাত্র ২০ শতাংশ, যা হোম পারফরম্যান্সের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল।
এই ম্যাচে এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপ হলো হোম টিমকে অর্ধ গোলের ফেভারিট, আর হোম দলের পানির হার ০.৮৩-০.৮৭-এর মাঝারি-নিম্ন স্তরে স্থিতিশীল রয়েছে। শার্লট এফসি প্রতিপক্ষের তুলনায় নিচে থাকা সত্ত্বেও অর্ধ গোলের লাইন খোলা হয়েছে বেশ গভীরভাবে, এবং হোম দলের পানির হার সব সময়ই ০.৯০-এর নিচে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। এটি দেখায় যে প্রতিষ্ঠানটি হোম দলের জয়সংক্রান্ত পেআউট ঝুঁকি যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে, যা স্পষ্টভাবে ফেভারিট পক্ষের পক্ষে ইতিবাচক সংকেত।
অডসের দিক থেকে, হোম জয়ের হার ১.৮৫-১.৯০, ড্র ৩.৬০-৩.৮০, এবং অ্যাওয়ে জয় ৩.৬০-৩.৮০-এর মধ্যে কেন্দ্রীভূত। প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান হোম জয়ের দিকেই আস্থাশীল।
দুই দলের শেষ ৫টি হোম মুখোমুখিতে শার্লট এফসি ৩ জয় ও ২ হার পেয়েছে, অর্থাৎ নিজেদের মাঠে প্রতিপক্ষকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষণ করলে: হোম টিমের ঘরের মাঠে শক্তিশালী রেকর্ড, গভীরভাবে খোলা লাইন ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য পানির হার, আর অ্যাওয়ে টিমের দুর্বল বাইরে-ফর্ম—সব মিলিয়ে এই ম্যাচে শার্লট এফসির ঘরের মাঠে জয় পাওয়াই বেশি সম্ভাব্য।