ফ্লুমিনেনসে বর্তমানে তৃতীয় স্থানে, আর সাও পাওলো ঠিক পেছনে থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে। পয়েন্ট টেবিলে ব্যবধান মাত্র তিন পয়েন্ট, তবে মারাকানা স্টেডিয়ামের হোম অ্যাডভান্টেজ এই ফারাক আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
এই মৌসুমে ফ্লুমিনেনসের ঘরের মাঠের রেকর্ড ৮ ম্যাচে ৬ জয়, ১ ড্র ও ১ হার, জয়ের হার ৭৫%। তারা ১৫ গোল করেছে এবং হজম করেছে ৯ গোল। ব্রাজিল সিরি আ’তে এমন হোম রেকর্ড যে কোনো সফরকারী দলের ওপরই চাপ তৈরি করার জন্য যথেষ্ট। সাও পাওলোর অ্যাওয়ে রেকর্ড ৮ ম্যাচে ২ জয়, ২ ড্র ও ৪ হার, জয়ের হার মাত্র ২৫%। তারা বাইরে ৮ গোল করেছে এবং হজম করেছে ১১ গোল। অ্যাওয়ে পারফরম্যান্স আর হোম পারফরম্যান্স যেন দুই ভিন্ন দল।
ফ্লুমিনেনসের আক্রমণভাগ গত দুই বছরে মারাকানায় সাও পাওলোর বিপক্ষে ৮ গোল করেছে, আর দুইবার প্রতিপক্ষকে গোলশূন্য রেখেছে। মানসিক দিক থেকেও বাড়তি সুবিধা এখন নীলদের পক্ষেই। সাও পাওলোর ইনজুরি তালিকায় আছে নয়জন খেলোয়াড়, যার মধ্যে ফরোয়ার্ড কালেরি নিষিদ্ধ, আর ডিফেন্ডার টরোই ও বাতিস্তা চোটে আছেন—ফলে তিনটি লাইনই প্রভাবিত হয়েছে।
এটি একেবারে সরাসরি অবস্থান নির্ধারণী লড়াই, আর হোম অ্যাডভান্টেজ ও স্কোয়াডের পূর্ণতা—দুই দিক থেকেই ফ্লুমিনেনসে এগিয়ে।