জার্মানির প্রথম ম্যাচে ৭-১ ব্যবধানে কুরাসাওকে বিধ্বস্ত করা হয়েছিল, আর এই স্কোরলাইন অনেককেই সরাসরি ‘ওভার’ চিন্তায় নিয়ে যাবে—এটা একেবারেই স্বাভাবিক। কিন্তু এই ম্যাচে আমি বরং সেই আবেগের সঙ্গে যেতে চাই না। কুরাসাও আর আইভরি কোস্ট একেবারেই এক ধরনের প্রতিপক্ষ নয়। জার্মানি আগের ম্যাচে সহজে প্রতিপক্ষকে ভেদ করতে পেরেছে বলেই যে এই ম্যাচেও একইভাবে অনেক গোল বেরিয়ে আসবে, তা নয়।
আইভরি কোস্টের প্রথম ম্যাচের ম্যাচ-কাঠামো খুবই স্পষ্ট ছিল: মাঝমাঠে শারীরিক লড়াই শক্ত, রক্ষণে অবস্থান নেওয়া টাইট, পেছনে ফেরার গতি দ্রুত, আর কাউন্টার অ্যাটাকে আছে ধার। তারা দুর্বল দলের মতো জার্মানিকে টানা স্বচ্ছন্দে এগোনোর সুযোগ দেবে না। জার্মানি সম্ভবত বল দখলে এগিয়ে থাকবে, কিন্তু বল দখল মানেই উচ্চমানের সুযোগ তৈরি হওয়া নয়—বিশেষ করে এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে, যাদের শারীরিক সক্ষমতা আর রক্ষণাত্মক শৃঙ্খলা দুটোই ভালো।
এই ম্যাচটাকে আমি বরং বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বের এক ধরনের ‘শক্তির পরীক্ষা’ হিসেবে দেখছি। জার্মানিকে জিততে হবে, কিন্তু তারা অযথা ঝাঁপিয়ে পড়বে না; আইভরি কোস্টও জানে, শুরুতেই যদি ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে পুরো গ্রুপের যোগ্যতা অর্জনের সমীকরণ কঠিন হয়ে যাবে। দুই দলই আক্রমণ করবে, তবে ম্যাচের গতি খুব বেশি খোলা হয়ে উঠবে—এমনটা নিশ্চিত নয়।
আমার মূল্যায়ন হলো: জার্মানির দিকে তাকানো যায়, কিন্তু ওভার-আন্ডারে আমি আন্ডারের পক্ষেই থাকব। আগের ম্যাচের ৭-১ ফল বাজারে এতটাই আবেগ তৈরি করেছে যে, এই ম্যাচের বাস্তব কাঠামো ততটা উন্মাদ নয়।